পরবর্তী সরকার যেন পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনার ধারাবাহিকতা রাখে —গভর্নর

বর্তমান সরকার পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনার কাজ শেষ করতে না পারলে পরবর্তী সরকার যেন সেই উদ্যোগের ধারাবাহিকতা ধরে রাখে।

বর্তমান সরকার পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনার কাজ শেষ করতে না পারলে পরবর্তী সরকার যেন সেই উদ্যোগের ধারাবাহিকতা ধরে রাখে। তা না হলে এ উদ্যোগের কোনো সুফল মিলবে না। গতকাল রাজধানীর পল্টন টাওয়ারে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) মিলনায়তনে ‘সেমিনার অন বাংলাদেশ ম্যাক্রোইকোনমিক ল্যান্ডস্কেপ: চ্যালেঞ্জেস ইন দ্য ব্যাংকিং সেক্টর অ্যান্ড দ্য পাথ অ্যাহেড’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।

পাচারের টাকা ফেরত আনার বিষয়ে গভর্নর বলেন, ‘কোনো দেশই পাচার হওয়া টাকা পাঁচ বছরের আগে ফেরত আনতে পারেনি। আমরা চেষ্টা করছি। এ সরকারের পক্ষে সম্ভব না হলে পরবর্তী সরকার যেন এ কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যায়।’ ইআরএফ আয়োজিত ওই সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান ও পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘অর্থনীতিতে অনেক ধরনের চ্যালেঞ্জ আছে। তবে বৈদেশিক মুদ্রা ও রিজার্ভ নিয়ে চিন্তার কোনো কারণ নেই। রিজার্ভের পতন কিছুটা হলেও থামানো গেছে। আইএমএফের কাছ থেকে এখনো ১ টাকাও আসেনি। কিন্তু রেমিট্যান্স ২৪ শতাংশ বেড়েছে। এ মাসে ৩০ শতাংশ ছাড়াবে। এ বছর রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ছাড়াবে। এর মূল কারণ, টাকা পাচার ঠেকানো গেছে।’

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইআরএফ সভাপতি দৌলত আকতার মালা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইআরএফের সহসাধারণ সম্পাদক মানিক মুনতাসির। সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘বিনিয়োগ বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি কমাতে হবে।’

পূবালী ব্যাংকের এমডি মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘আমরা একসময় সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংক ছিলাম। আমাদের খেলাপি ঋণের হার ছিল ৫৪ শতাংশ। এখন সেই ব্যাংক একটি ভালো ব্যাংকে পরিণত হয়েছে। এটি সম্ভব হয়েছে সুশাসন প্রতিষ্ঠার কারণে।’

আরও